নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫ স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন, observer নিয়োগ, accreditation, polling station-এ আচরণ এবং report তৈরির কাঠামো দেয়। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের official page-এ নীতিমালাটি ২০২৫ নামেই প্রকাশিত। তাই “নীতিমালা ২০২৬” নামে প্রচারিত শিরোনামের বদলে official document title ব্যবহার করাই সঠিক।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫ সংক্ষেপে
| কর্তৃপক্ষ | বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন |
|---|---|
| প্রযোজ্য | স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা ও observer |
| প্রধান শর্ত | নিরপেক্ষতা ও accreditation |
| প্রমাণ | অনুমোদিত পরিচয়পত্র ও deployment plan |
পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রস্তুতি
সংস্থার আইনগত পরিচয়, নিরপেক্ষ কার্যক্রম, সাংগঠনিক সক্ষমতা, trained observer, funding transparency এবং reporting plan যাচাই হতে পারে। নিবন্ধন পেলেই যেকোনো নির্বাচনে ইচ্ছামতো observer পাঠানো যায় না; election-specific deployment ও accreditation instruction মানতে হয়।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী দায়িত্ব
- অনুমোদিত ID দৃশ্যমান রাখুন।
- ভোটার বা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেবেন না।
- গোপন ভোটের পরিবেশে হস্তক্ষেপ করবেন না।
- দলীয় প্রতীক বা প্রচার এড়িয়ে চলুন।
- ঘটনার সময়, স্থান ও evidence নিরপেক্ষভাবে note করুন।
- unauthorised result ঘোষণা করবেন না।
- নির্ধারিত format-এ report দিন।
যা করা যাবে না
ভোটারের পছন্দ জানতে চাওয়া, polling personnel-এর কাজে বাধা, sensitive document স্পর্শ, অনুমতি ছাড়া restricted area-তে প্রবেশ, social media-তে অসম্পূর্ণ তথ্য ছড়ানো এবং রাজনৈতিক পক্ষের hospitality গ্রহণ নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। অভিযোগ থাকলে prescribed authority-কে জানান।
NID তথ্য সংশোধন এবং পরিচয় record correction দেখুন। নির্বাচন কমিশনের official policy page দেখুন।

