অবসরের পর নতুন চাকরি নিতে সব ক্ষেত্রেই আগের সরকারি দপ্তরের অনুমতি লাগে—এমন ধারণা বর্তমান আইনের সাধারণ নিয়ম নয়। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৫২ অনুযায়ী অবসরের পর, চুক্তিভিত্তিকভাবে সরকারি কর্মে বহাল থাকা ব্যতীত, বৈদেশিক বা বেসরকারি চাকরি, অন্য পেশা, ব্যবসা কিংবা বিদেশযাত্রার জন্য সাধারণভাবে সরকার বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন হয় না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ restriction বা permission requirement আরোপ করতে পারে।
অবসরের পর নতুন চাকরি সংক্ষেপে
| সাধারণ নিয়ম | পূর্বানুমতি প্রয়োজন নেই |
|---|---|
| ক্ষেত্র | বিদেশি/বেসরকারি চাকরি, পেশা, ব্যবসা ও বিদেশযাত্রা |
| ব্যতিক্রম | চুক্তিভিত্তিক সরকারি কর্ম বা special restriction |
| সতর্কতা | গোপনীয়তা, conflict ও আলাদা পেশাগত আইন |
কখন বিশেষ আদেশ দেখতে হবে
সরকার বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কোনো নির্দিষ্ট case-এ নতুন চাকরি, পেশা, ব্যবসা বা বিদেশযাত্রা নিষিদ্ধ করতে বা permission বাধ্যতামূলক করতে পারে। retirement order, contract, confidentiality undertaking, sensitive assignment এবং আলাদা regulator-এর licensing rule তাই পরীক্ষা করতে হবে। সাধারণ freedom মানে official secret বা সরকারি property ব্যবহারের অনুমতি নয়।
অবসরের পর নতুন চাকরি নেওয়ার আগে ধাপ
- final retirement/release order সংগ্রহ করুন।
- আপনি contract service-এ আছেন কি না নিশ্চিত করুন।
- special restriction বা bond আছে কি না দেখুন।
- নতুন employer-এর conflict-of-interest যাচাই করুন।
- সরকারি নথি, data বা পরিচয়পত্র ফেরত দিন।
- পেশাভিত্তিক license/visa/work permit আলাদাভাবে নিন।
- tax, pension ও bank record হালনাগাদ রাখুন।
বিদেশে কাজের ক্ষেত্রে
ধারা ৫২-এর permission rule immigration law, visa বা বিদেশি দেশের work authorization-এর বিকল্প নয়। passport, visa, tax residence ও pension EFT পৃথক বিষয়। পেনশন চালু রাখতে life verification বা bank compliance প্রয়োজন হলে সেটিও সময়মতো সম্পন্ন করুন।
পেনশন life verification এবং পেনশন EFT bank account পড়ুন। হালনাগাদ ধারা ৫২ দেখুন।

